18.2 C
Rajshahi
Tuesday, January 13, 2026
spot_imgspot_imgspot_img

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আজ (শনিবার ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫) থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। দিনব্যাপী এই আয়োজনে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ভাষা বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে চীনের কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট, হোংহো ইউনিভার্সিটি এবং বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধি দল রাজধানীর উত্তরা এলাকায় অবস্থিত জমজম কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এ ছাড়া তারা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ডিজাইন ও অ্যাপারেল বিশেষায়িত সৃজনশীল বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মোহাম্মদ আবুল ফায়েজ, বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক কাউন্সেলর লি শাওপেং, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, চীনের হোংহো ইউনিভার্সিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ছেন জি ইয়াং, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহ-ই-আলম।

এ ছাড়াও বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যম প্রতিনিধিগণ, স্থানীয় চীনা ব্যবসায়ী সমাজের সদস্যরা, বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট ও কনফুসিয়াস ক্লাসরুমের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এবং চীনা শিক্ষার্থী প্রতিনিধিসহ প্রায় ৩০০ জন অতিথি এই গুরুত্বপূর্ণ আয়োজনের সাক্ষী হন।

উপদেষ্টা চৌধুরী রফিকুল আবরার, রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনসহ অতিথিরা পৃথক বক্তব্যে এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, ভাষা শিক্ষা ও চর্চার মাধ্যমে দুই দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে পারস্পরিক মানবিক বিনিময় জোরদারে কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কনফুসিয়াস ইন্সটিটিউট দেশের উত্তর–পশ্চিমাঞ্চলে উচ্চমানের চীনা ভাষা শিক্ষার ঘাটতি পূরণ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি এটি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষা সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

সম্পর্কিত সংবাদ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here


Math Captcha
5 + 5 =


কোরআনের বাণী

spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

সর্বশেষ সংবাদ