শুক্রবার রাত ১২টা ৫ মিনিটে জেলার চারঘাট থানার ধর্মহাটা পটিয়াকান্দি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব-৫ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
র্যাব জানায়, ছায়া তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে মো. উকিলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানার খোঁজাপুর এলাকার বাসিন্দা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এই হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন বলে র্যাব উল্লেখ করেছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত গোলাম মোস্তফা (৫২) মতিহার থানার ডাঁসমারি এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় দিনমজুর ছিলেন। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে যাওয়ার পথে পূর্ব শত্রুতার জেরে একই গ্রামের হাসিবুল মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তাঁর ডান পায়ের হাঁটুর ওপর গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ ফেব্রুয়ারি রাত ৯টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নাজেরা বেগম বাদী হয়ে মতিহার থানায় তিনজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারাসহ অস্ত্র আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা যুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য মতিহার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র্যাব জানিয়েছে।
র্যাব-৫ আরও জানায়, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাস দমনে সংস্থাটি সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে।